বিষাক্ত পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে



কুরবানি উপলক্ষ্যে অধিক মুনাফার লোভে গরু মোটা তাজাকরণে বিভিন্ন ক্ষতিকর ঔষধ ব্যবহার করা হয়। কৃত্তিম পদ্ধতিতে অস্বাভাবিকভাবে মোটাতাজা এইসব গরুর মাংস খাওয়ার ফলে কিডনী, লিভার হৃদপিন্ডসহ মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। স্বল্প সময়ে অধিক লাভের অনৈতিক এই কারবারিতে সংঘবদ্ধ চক্র দেশব্যাপী সক্রিয় রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় কোরবানির গরু মোটাতাজাকরণের এই পদ্ধতি বন্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরী। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’র আয়োজনে ২৭ আগস্ট ২০১৬, সকাল ১১টায় পরিবেশ মিলনায়তন, পবা কার্যালয়ে “গরু মোটাতাজাকরণ : কোরবানির পবিত্রতা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে উক্ত দাবী জানানো হয়।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান এর সভাপতিত্বে এবং পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরীর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো: আবদুস সোবহান, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য এডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, সহ-সম্পাদক মো: সেলিম, সদস্য প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন-স্বাস্থ্যবান গরু উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত এবং কৃষি বিভাগ অনুমোদিত পদ্ধতি রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় গরু কাঙ্খিত মোটাতাজা বা হৃষ্টপুষ্ট হতে তিন থেকে ছয় মাস সময় নেয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা গরু প্রতি খাবারের খরচ ও সময় কমাতে গরুকে (ছাগলকেও বটে) অতিরিক্ত ইউরিয়া, সিপ্রোহেপ্টাডিন, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ, এ্যানাবলিক স্টেরয়েড, হরমোন ইত্যাদি খায়ানো বা ইনজেকশন দেয়। এছাড়া কিছু পশুখাদ্য দেশের অননুমোদিত কারখানায় উৎপাদিত হয় এবং চোরাপথে দেশে আসে যেগুলোতে উচ্চমাত্রায় স্টেরয়েড মেশানো থাকে। গত ১৭ আগস্ট ২০১৬ তারিখের দৈনিক সমকাল পত্রিকায় এক খবরে দেখা যায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ১১জন কর্মকর্তা এই জাতীয় দুষ্ককর্মের সাথে যুক্ত। অথচ এরা সরকারিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এইসব দুষ্কর্ম ও স্বাস্থ্যবিনাশী কার্য্য প্রতিরোধ করার। বাংলাদেশ এনিম্যাল জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে ২০১২ সালে দেশের ৬৩.৭%^ কৃষক গরু মোটাতাজা করার জন্য ট্যাবলেট ব্যবহার করেছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-র গবেষণায় দেখা গিয়েছে উত্তর বঙ্গের ৭০.৬০% গরুকে স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ দেয়া হয়েছে। যদিও জনসাধারণের ধারণা এই সংখ্যা আরো বেশি হবে।

 
কোরবানির বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে


প্রতি বছরই ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সর্বত্র কোরবানি ও এর বর্জ্যরে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার অভাবে মারাত্মক পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বর্জ্যসমূহ সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হয় না। মক্কার আদলে কোরবানি ও এর বর্জ্য যদি যথাযথ ব্যবস্থাপনায় আনা যায় তবে কোরবানি পরবর্তী পরিবেশ দূষণ যেমন রোধ করা যাবে অন্যদিকে জবাই পরবর্তী উচ্ছিষ্ঠাংশ সমূহকে সম্পদে পরিণত করা সম্ভব হবে। চলমান অব্যবস্থাপনার বিপরীতে কোরবানি ও এর বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করণে করণীয় নির্ধারণে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এর উদ্যোগে ২৩ আগস্ট ২০১৬, সকাল ১১টায় পবা কার্যালয়ে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা উক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।
পুরানো কারাগারের স্থানে বাণিজ্যিক ভবন নয়, ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণসহ খেলার মাঠ, পার্ক ও শিক্ষ

 
নাজিমুদ্দিন রোড়স্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার দেশের প্রাচীনতম এবং সর্ববৃহৎ কারাগার। ঐতিহাসিক এই কারাগার থেকে বন্দীদের কেরাণীগঞ্জে নবনির্মিত কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। স্থানান্তর পরবর্তী এই জায়গা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ঐতিহ্য সম্মুন্নত রেখে পরিত্যক্ত জায়গা ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার মানুষের জন্য খেলার মাঠ, শিশুপার্ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সবুজ বলয় গড়ে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা জরুরী। এতদ্বব্যতীত কোন ধরণের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান করা হলে ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার নাগরিক দূর্ভোগ আরও চরমে উঠবে। পুরান ঢাকাসহ ঢাকা মহানগরীর পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান কারা স্মৃতি যাদুঘর ও জাতীয় চার নেতার কারা স্মৃতি যাদুঘর দুটি সংরক্ষণসহ পার্ক, জলাধার, খেলার মাঠ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে একবিংশ শতাব্দির উপযোগী সবুজ বলয় গড়ে তোলা হোক। ০১ আগস্ট ২০১৬, সোমবার, সকাল ১১টায় শাহবাগস্থ চারুকলা অনুষদের সামনে পরিবেশবাদী ও সামাজিক ১৩ টি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ উক্ত দাবী জানান।
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম



কুরবানি উপলক্ষ্যে অধিক মুনাফার লোভে গরু মোটা তাজাকরণে বিভিন্ন ক্ষতিকর ঔষধ ব্যবহার করা হয়। কৃত্তিম পদ্ধতিতে অস্বাভাবিকভাবে মোটাতাজা এইসব গরুর মাংস খাওয়ার ফলে কিডনী, লিভার হৃদপিন্ডসহ মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। স্বল্প সময়ে অধিক লাভের অনৈতিক এই কারবারিতে সংঘবদ্ধ চক্র দেশব্যাপী সক্রিয় রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় কোরবানির গরু মোটাতাজাকরণের এই পদ্ধতি বন্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরী। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’র আয়োজনে ২৭ আগস্ট ২০১৬, সকাল ১১টায় পরিবেশ মিলনায়তন, পবা কার্যালয়ে “গরু মোটাতাজাকরণ : কোরবানির পবিত্রতা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে উক্ত দাবী জানানো হয়।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান এর সভাপতিত্বে এবং পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরীর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো: আবদুস সোবহান, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য এডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, সহ-সম্পাদক মো: সেলিম, সদস্য প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন-স্বাস্থ্যবান গরু উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত এবং কৃষি বিভাগ অনুমোদিত পদ্ধতি রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় গরু কাঙ্খিত মোটাতাজা বা হৃষ্টপুষ্ট হতে তিন থেকে ছয় মাস সময় নেয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা গরু প্রতি খাবারের খরচ ও সময় কমাতে গরুকে (ছাগলকেও বটে) অতিরিক্ত ইউরিয়া, সিপ্রোহেপ্টাডিন, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ, এ্যানাবলিক স্টেরয়েড, হরমোন ইত্যাদি খায়ানো বা


প্রতি বছরই ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সর্বত্র কোরবানি ও এর বর্জ্যরে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার অভাবে মারাত্মক পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বর্জ্যসমূহ সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হয় না। মক্কার আদলে কোরবানি ও এর বর্জ্য যদি যথাযথ ব্যবস্থাপনায় আনা যায় তবে কোরবানি পরবর্তী পরিবেশ দূষণ যেমন রোধ করা যাবে অন্যদিকে জবাই পরবর্তী উচ্ছিষ্ঠাংশ সমূহকে সম্পদে পরিণত করা সম্ভব হবে। চলমান অব্যবস্থাপনার বিপরীতে কোরবানি ও এর বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করণে করণীয় নির্ধারণে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এর উদ্যোগে ২৩ আগস্ট ২০১৬, সকাল ১১টায় পবা কার্যালয়ে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা উক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।

 
নাজিমুদ্দিন রোড়স্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার দেশের প্রাচীনতম এবং সর্ববৃহৎ কারাগার। ঐতিহাসিক এই কারাগার থেকে বন্দীদের কেরাণীগঞ্জে নবনির্মিত কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। স্থানান্তর পরবর্তী এই জায়গা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ঐতিহ্য সম্মুন্নত রেখে পরিত্যক্ত জায়গা ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার মানুষের জন্য খেলার মাঠ, শিশুপার্ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সবুজ বলয় গড়ে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা জরুরী। এতদ্বব্যতীত কোন ধরণের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান করা হলে ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার নাগরিক দূর্ভোগ আরও চরমে উঠবে। পুরান ঢাকাসহ ঢাকা মহানগরীর পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান কারা স্মৃতি যাদুঘর ও জাতীয় চার নেতার কারা স্মৃতি যাদুঘর দুটি সংরক্ষণসহ পার্ক, জলাধার, খেলার মাঠ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে একবিংশ শতাব্দির উপযোগী সবুজ বলয় গড়ে তোলা হোক। ০১ আগস্ট ২০১৬, সোমবার, সকাল ১১টায় শাহবাগস্থ চারুকলা অনুষদের সামনে পরিবেশবাদী ও সামাজিক ১৩ টি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ উক্ত দাবী জানান।
আমাদের কার্যক্রম
ভিডিও